ভাবুক প্রকৃতির কিশোর মুহাম্মদ জহিরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, অন্যদের চাইতে একটু আলাদা, ব্যতিক্রম তার চিন্তা-শক্তি, চেতনা; স্রােতের বিপরীতে চলাই যার প্রকৃতিগত চরিত। সবে মাত্র সপ্তম থেকে অষ্টম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পড়াশুনায় মনোযোগী ও সাথে কো-কারিকুলাম একটিভিটিস এ যার রয়েছে শতভাগ সংশ্লিষ্টতা। সবাই যখন হৈ-হুল্লোড় এ মেতে থাকে, তখন ভাবুক ছেলেটির মাথায় ভিন্ন চিন্তা কাজ করে। কীভাবে সবাই এক থাকা যায়, কীভাবে সবাই সুন্দর করে পথ চলতে পারে, কী করলে আমাদের আজকের দিনটি গতদিনের চেয়ে ভাল কাটবে ইত্যাদি চিন্তা যেন তাকে প্রতিনিয়তই কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিল। এরই মধ্যে টিফিনের ঘন্টা পড়ে গেল- সবাই সে কি হৈ-হুল্লোড়, ছ্যাছামেছি করে বেরিয়ে গেল, চেয়ার-টেবিলগুলো এলােমেলো, ধুলাবালির একটি ঝড় বইয়ে দিয়ে গেল; সবার গন্তব্য মহসিন স্কুল মাঠ। সেখানে ক্রিকেট খেলবে। আমি যাব- পাহাড়ের উপরে গোপন সুড়ঙ্গের পাশে মসজিদ- নামাজ পড়ে প্রকৃতি দেখব দু'চোখ ভরে। দক্ষিণের দিকে দাঁড়ালে সুদূর দেখা যায়, কর্ণফুলী নদী উপভোগ করা যায়। ওলন্দাজ ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবশ্য লাইব্রেরী রয়েছে, সেখানে যাব না। আজ সোজা নুর পাহাড়ের ভেতর দিয়ে বাসায় যাব। ত...
আগামীর শিশুদের জন্য বাসযোগ্য একটি নান্দনিক নূতন পৃথিবী গড়তে চাই